আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনার উত্তম উপায়



ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা করো সালাতের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। -[সূরা বাকারাহ, আয়াত: ৪৫]

এ আয়াতে আল্লাহ্ সুবহানাহুয়া তাআ'লা আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করার জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমের কথা উল্লেখ করেছেন। আর তা হল ধৈর্য ও সালাত। কেউ যখন এ দুটিকে তার সঙ্গী করে নিবে তখন শত বিপদের মাঝেও সে নিরাশ হবেনা, হতাশ হবেনা। কারণ তার অন্তর হবে মহান প্রভুর প্রতি পরিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণকারী। যার ফলে আমাদের সালাফগণকে শত বিপদও সরল পথ হতে এক বিন্দুও টলাতে পারেনি। কারণ তারা জানতো আল্লাহর সাহয্য খুব নিকটেই। আর তারা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে শুধু  আল্লাহর নিকটই চাইতো।

উমার (রা) বলেন, ধৈর্য দু' প্রকার - ১) বিপদের সময় ধৈর্য ও ২) পাপ কাজ হতে বিরত থাকার ব্যাপারেে ধৈর্য। দ্বিতীয় ধৈর্য প্রথম ধৈর্য হতে উত্তম।  

সাঈদ ইবনে যুবাইর (রহ) বলেন, প্রত্যেক জিনিস আল্লাহর পক্ষ হতে হয়ে থাকে এটা স্বীকার করা, সাওয়াবের প্রার্থনা করা এবং বিপদের প্রতিদানের ভান্ডার আল্লাহর নিকট আছে এ মনে করা ধৈর্য।  

আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজে ধৈর্যধারণ করাও সাওয়াবের কাজ। আর সাওয়াবের কাজে সালাতের মাধ্যমে বিশেষ সাহায্য পাওয়া যায়। আল্লাহ তা'আলা বলেন -
আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। -[ক্বুরআন, ২৯:৪৫]

হুযাইফা (রা) বলেন,
রাসূল (সা) যখনই কোন কঠিন ও চিন্তাযুক্ত  কাজের সম্মুখীন হতেন তখনই সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন।   

 
তথ্যসূত্র:
  • তাফসীর ইবনে কাছীর  

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

"পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না। আপনার পালনকর্তা অতি দয়ালু। নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।"